তাঁর দরজা দল-মত নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য সর্বদা উন্মুক্ত। আগামীর সুন্দর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে তিনি আপনার সমর্থন ও দোয়া প্রার্থী।
নওগাঁ-৩ (বদলগাছী-মহাদেবপুর) আসনের মাটি ও মানুষের একান্ত আপনজন, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ এবং আধুনিক চিন্তাধারার ধারক জনাব ফজলে হুদা বাবুল। তিনি কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, বরং একজন স্বপ্নদ্রষ্টা, যিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকাকে বাংলাদেশের একটি মডেল জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। রাজনীতিতে তাঁর পদচারণা ক্ষমতার মোহে নয়, বরং মানুষের সেবা ও অধিকার আদায়ের নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকে।
জনাব ফজলে হুদা বাবুল জন্মগ্রহণ করেছেন এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারে। তাঁর পিতা ছিলেন একজন গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধা। ছোটবেলা থেকেই পারিবারিক আবহে তিনি সততা, শৃঙ্খলা এবং দেশপ্রেমের শিক্ষা পেয়েছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ তাঁর চারিত্রিক গঠনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। তাঁর ধমনীতে প্রবাহিত হচ্ছে দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধার রক্ত, যা তাঁকে সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহস যোগায়।
মেধা ও মননের সংমিশ্রণে তিনি নিজেকে একজন সুশিক্ষিত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলেছেন। শিক্ষাজীবনে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখার পর তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন সফল করপোরেট ব্যক্তিত্ব হিসেবে। আধুনিক ব্যবস্থাপনা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান তৈরির ক্ষেত্রে তাঁর রয়েছে দীর্ঘদিনের পেশাগত অভিজ্ঞতা।
রাজনীতির পাশাপাশি পেশাগত জীবনে তাঁর এই সাফল্য প্রমাণ করে যে, তিনি কেবল আবেগের বশবর্তী হয়ে রাজনীতি করেন না; বরং তাঁর রয়েছে প্রখর বুদ্ধিমত্তা এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সক্ষমতা। তিনি বিশ্বাস করেন, একজন নেতার আধুনিক পৃথিবীর সাথে তাল মিলিয়ে চলার যোগ্যতা থাকা আবশ্যক।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচি এবং বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে জনাব ফজলে হুদা বাবুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে সবসময় সম্মুখভাগে থেকেছেন।
তাঁর রাজনৈতিক জীবন কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। দলের চরম দুঃসময়ে, যখন অনেকেই নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছিলেন, তখনো ফজলে হুদা বাবুল রাজপথ ছাড়েননি। ১/১১-এর কঠিন সময় থেকে শুরু করে বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমল পর্যন্ত—তিনি অসংখ্যবার হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কিন্তু কোনো ভয়ভীতি বা প্রলোভন তাঁকে আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। বদলগাছী ও মহাদেবপুরের তৃণমূল নেতাকর্মীদের তিনি আগলে রেখেছেন বটবৃক্ষের মতো।
জনপ্রতিনিধি না হয়েও মানুষের পাশে কীভাবে দাঁড়ানো যায়, তার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জনাব ফজলে হুদা বাবুল।
করোনাকালীন ভূমিকা: বৈশ্বিক মহামারী করোনার সময় তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন।
শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান: এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও মন্দির সংস্কারে তিনি নিয়মিত অনুদান প্রদান করেন। গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে সহায়তা করে আসছেন।
বন্যা ও দুর্যোগ: প্রাকৃতিক দুর্যোগে যখনই মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে, সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।
জনাব ফজলে হুদা বাবুল গতানুগতিক রাজনীতির বাইরে এসে একটি ‘স্মার্ট ও স্বনির্ভর নওগাঁ-৩’ গড়ার স্বপ্ন দেখেন। তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারের মূল লক্ষ্যগুলো হলো: ১. বেকারমুক্ত সমাজ: এলাকার শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ ও আইটি-ভিত্তিক কর্মসংস্থান তৈরি করা। ২. আধুনিক কৃষি: বদলগাছী ও মহাদেবপুরের কৃষকদের জন্য আধুনিক কৃষি সরঞ্জাম ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা। ৩. সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত এলাকা: যুবসমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করে খেলার মাঠ ও সুস্থ বিনোদনে ফিরিয়ে আনা। ৪. জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব: এমন একটি শাসনব্যবস্থা কায়েম করা যেখানে জনপ্রতিনিধিরা জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবে।